
কাউন্টি ক্রিকেটে এবার প্রমোশন পেয়ে প্রথম বিভাগে উঠেছে কেন্ট ক্রিকেট। যেখানে বড় অবদান বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের। বিশেষ করে হাসানের পরে যোগ দিয়ে শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কেন্টের জয়ে ভূমিকা রেখেছেন খালেদ। ৩ ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। কেন্ট থেকে ফিরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষ একমাত্র টেস্টের আগে নিজের কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন খালেদ।
বিসিবির প্রকাশিত ভিডিওতে খালেদ বলেন, কাউন্টি ক্রিকেট তার কাছে ছোট বেলার স্বপ্ন পূরণের মতো। তিনি বলেন, ‘ইংলিশ (কাউন্টি) ক্রিকেট খেলা আমি যখন ছোটবেলায় ক্রিকেট খেলা শুরু করি, তখন ক্রিকেট সম্পর্কে যখন বুঝতে শুরু করি, তখন স্বপ্ন ছিল যে কোনোদিন কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি ফোরডে (চার দিনের) বা ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগ খেলবো। আমার কাছে ইংলিশ ক্রিকেটটা খুবই উপরে ছিল। চেষ্টা করছিলাম, যখন সুযোগ পেলাম তখন মনে মনে অনেক খুশি ছিলাম যে সেখানে যেতে পারছি।’
খালেদ আরও বলেন, ‘অভিজ্ঞতা আলহামদুলিল্লাহ, খুবই ভালো ছিল। যেমন আমি অনেক দিন ধরে খেলার বাইরে ছিলাম। তখন একটা সুযোগ এসেছে, আমি দ্রুত রাজি হয়ে সেখানে যাই। যাওয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ প্রথম দিকে ওদের ঠান্ডার সঙ্গে একটু কষ্ট হয়েছিল মানিয়ে নিতে। কিন্তু যখন খেলা শুরু করলাম, তখন আলহামদুলিল্লাহ ভালো একটা শুরু হয়েছিল।’
বাংলাদেশ থেকে ইংল্যান্ডে যাওয়ার পর খালেদের জন্য প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল ঠান্ডা আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, ‘আমি যাওয়ার পর প্রথম একটা ম্যাচ খেলিনি। তখন আমাকে অধিনায়ক ও কোচরা এসে বলেছিলেন, ‘তুমি এসেছ, আসার পর এখানে মানিয়ে নেওয়ার একটা ব্যাপার আছে। তুমি চেষ্টা করো এখানে মানিয়ে নিতে। এরপরের ম্যাচ থেকে তুমি নিয়মিত খেলো।’ শুধু খেলা নয়, খেলার বাইরেও মাঠে ও ড্রেসিংরুমে ওদের সঙ্গে অনেক মজা করেছি। ওরা অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল।’
ইংল্যান্ডের প্রচন্ড ঠান্ডা থেকে খালেদ এখন দুবাইয়ের গরমে। ফলে এখানেও কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হচ্ছে তাকে। খালেদ বলেন, ‘একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে সব জায়গায়ই মানিয়ে নিতে হয়। যেমনটা আগেই বললাম, আমি ইংল্যান্ড যাওয়ার পর আমাকে সেখানকার ঠান্ডার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়েছে। তেমনি এখানে গরম অনেক বেশি, এটা মাথায় নিলেই সমস্যা হবে। তবে আমি চেষ্টা করছি। আজ বোলিং করেছি, গতকাল রানিং করেছি। প্রায় মানিয়ে নেওয়া হয়ে গেছে। আর এক-দুই দিন লাগলে হয়তো বোলিংয়ে পুরো ছন্দ চলে আসবে।’