
অনুমতি ছাড়াই সরকারি স্কুলে প্রবেশের অভিযোগে ভারতের মহারাষ্ট্রের লাতুরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
স্কুলে অনুমতি ছাড়া প্রবেশের ঘটনায় আউসা পুলিশ স্টেশনে দীপকে, দলের কর্মী আজিঙ্কা শিনডেসহ আরও কয়েকজন সিজেপি সদস্যের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও আউসার জিলা পরিষদ উর্দু স্কুলের শিক্ষকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেন সায়দ শামসাদবানো খয়রাতালি নামে স্কুলটির এক শিক্ষক।
দীপকের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ
অভিজিৎ দীপকে ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যাংসংহিতার ১৩২ ধারা (সরকারি কর্মকর্তাদের কাজে বাধা), ৩২৯ (৩) (অবৈধ অনুপ্রবেশ), ৩৫১ (২) (সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভীতি প্রদর্শন) এবং ৩৫৬ (২) ধারায় (সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানহানি) মামলা হয়েছে।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, দীপকে এবং তার সহযোগীরা কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়াই স্কুলে প্রবেশ করেছেন। তারা এরপর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্কুলের পরিবেশ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। অভিযোগে বলা হয়, তারা স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম এবং সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সিজেপির এই নেতা তাদের স্কুল পরিদর্শনের ভিডিও করেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলার অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, দীপকে ওই স্কুলের মানহানির চেষ্টা করেছেন এবং তিনি দাবি করেছেন তাদের পরিদর্শনের সময় অন্য স্কুল থেকে শিক্ষার্থীদের এনে ওই স্কুলে রাখা হয়েছিল। তিনি স্কুলটির শিক্ষকদের বরখাস্ত করানোর হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে বলা হয়।
ভারতের স্বাধীনতা দিবস ১৫ আগস্টে ককরোচ জনতা পার্টি বিভিন্ন সরকারি স্কুল পরিদর্শনের একটি ক্যাম্পেইন চালু করে। ভারতব্যাপী সরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে চালু হওয়া এই ক্যাম্পেইনটি তারা শুরু করে দীপকের গ্রাম হিঙ্গোলি থেকে। এরপর ভারতের বেশ কয়েকটি স্কুল পরিদর্শন করেছেন সিজেপির সদস্য ও কর্মীরা।
এ ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে গিয়ে বেশ কয়েকবার বাধার মুখেও পড়েছেন সিজেপিকর্মীরা। শুক্রবার জয়পুরের রামপুরা কন্বরপুরায় একটি স্কুল পরিদর্শনের সময় স্থানীয়দের রোষের মুখে পড়েন তারা