শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে পোস্ট করে বিপাকে অভিনেত্রী

pearley ms2x70qf67pqexs 20260727134520
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে পোস্ট করে বিপাকে অভিনেত্রী

ভারতে সদ্য সমাপ্ত হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টের জেরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন মালয়ালম অভিনেত্রী, টেলিভিশন উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর পার্ল মানি। বিতর্কের মাত্র দুই দিনের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে তার তিন লাখেরও বেশি অনুসারী কমে গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ জুলাই আন্দোলন নিয়ে একটি দীর্ঘ পোস্ট প্রকাশ করেন পার্ল। তখন তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারী ছিল প্রায় ২৭ লাখ। ২৬ জুলাই সেই সংখ্যা নেমে আসে প্রায় ২৪ লাখে। একই সময়ে ফেসবুক ও ইউটিউবেও অনুসারী কমেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে পার্ল তার পোস্টের কমেন্ট অপশন বন্ধ করে দেন। তবে অন্যান্য পোস্টে তাকে ঘিরে সমালোচনা অব্যাহত থাকে।

একজন ব্যবহারকারী লেখেন, ‘আপনি সংগ্রামের চাপ বোঝেন না। আমরা প্রতিটি সুযোগ ও ভালো ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করি।’

আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বললেও কমেন্ট সেকশন কেন বন্ধ করে দিলেন?]

পোস্টে পার্ল আন্দোলনের পরিস্থিতিকে ‘বেদনাদায়ক’ ও ‘হৃদয়বিদারক’ উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ থাকার আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, ‘কোনো আন্দোলনই একটি প্রাণের চেয়ে মূল্যবান নয়। যদি মনে হয় জীবন ঝুঁকিতে, তাহলে বাড়ি ফিরে যাও।’

pearley maaney png 20260727134335

আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বললেও কমেন্ট সেকশন কেন বন্ধ করে দিলেন?]

পোস্টে পার্ল আন্দোলনের পরিস্থিতিকে ‘বেদনাদায়ক’ ও ‘হৃদয়বিদারক’ উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ থাকার আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, ‘কোনো আন্দোলনই একটি প্রাণের চেয়ে মূল্যবান নয়। যদি মনে হয় জীবন ঝুঁকিতে, তাহলে বাড়ি ফিরে যাও।’

বিতর্ক আরও বাড়লে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নাম উল্লেখ না করে এক ‘ব্যর্থ চলচ্চিত্র নির্মাতা’কে কটাক্ষ করেন পার্ল। তিনি দাবি করেন, তার শান্তি, নিরাপত্তা ও অহিংসার বার্তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

এর জবাবে নির্মাতা সিবি মালয়িলের ছেলে জো মালয়িল পাল্টা স্টোরিতে লেখেন, পার্ল যে ‘ব্যর্থ নির্মাতা’র কথা বলেছেন, তিনি তার বাবা। বিষয়টি ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেওয়ায় তিনি কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান।

ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একদল পার্লের শান্তি ও অহিংসার আহ্বানকে সমর্থন জানিয়েছেন, অন্যদিকে অনেকের দাবি, তার বক্তব্য শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বাস্তবতা ও ক্ষোভকে যথাযথভাবে প্রতিফলিত করেনি।

Scroll to Top