বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০২৭ সালের মধ্যে ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর মাধ্যমে বর্তমান ১৯টি উড়োজাহাজের বহরকে ২৯টিতে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। বোয়িংয়ের কাছ থেকে কেনা নতুন ১৪টি উড়োজাহাজ ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে আসার কথা। এই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা মেটাতে এবং নতুন রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা বাড়াতে বিমান অন্তর্বর্তীকালীন সমাধান হিসেবে এই লিজের উদ্যোগ নিয়েছে। বিমান ইতিমধ্যে তিনটি ‘বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার’ ছয় বছরের জন্য ড্রাই লিজ (dry lease) নেওয়ার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র (Request for Proposal) আহ্বান করেছে। ১৫ জুলাই ২০২৬-এ প্রকাশিত এই দরপত্রের প্রস্তাব জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৯ আগস্ট ২০২৬। এগুলো ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি নাগাদ বহরে যুক্ত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এই লিজ প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকার একজন আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। প্রায় ৪০টি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের আবেদন থেকে একটি যোগ্য প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হবে।
এই লিজের উদ্যোগটি বোয়িংয়ের সাথে করা ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।
এই পদক্ষেপটি মূলত বিমানের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং যাত্রী সেবা বৃদ্ধির একটি কৌশলগত অংশ, যাতে নতুন কেনা উড়োজাহাজগুলো বহরে যোগ দেওয়ার আগ পর্যন্ত অপারেশনাল ঘাটতি না থাকে।